আন্তর্জাতিক ডেস্ক : প্রতিবেদন মতে, কাতারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরান থেকে তিনটি ক্রুজ মিসাইল ছোড়া হয়েছে। তার একটা একটি তেলের ট্যাংকারে আঘাত হেনেছে। এক এক্স পোস্টে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, তারা অপর দুটি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করেছে।
কাতারের রাষ্ট্রীয় জ্বালানি কোম্পানি কাতারএনার্জিও হামলার তথ্য নিশ্চিত করেছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, আজ বুধবার (১ এপ্রিল) ভোরে কাতারের ‘উত্তরাঞ্চলীয় জলসীমায়’ অ্যাকুয়া ১ নামের অপরিশোধিত তেলবাহী ট্যাংকারটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শিকার হয়েছে। সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, এই ঘটনায় ট্যাংকারের কোনো নাবিক আহত হননি এবং পরিবেশের ওপর এর কোনো প্রভাব পড়েনি।
এদিকে কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড্রোন হামলার পর জ্বালানি স্টোরেজ ট্যাংকে ভয়াবহ আগুনের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১ এপ্রিল) কুয়েতের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। প্রাথমিক খবর অনুযায়ী, এই ঘটনায় কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের মুখপাত্র আবদুল্লাহ আল রাজি জানান, হামলাটি সরাসরি বিমানবন্দরের জ্বালানি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান কুয়েত এভিয়েশন ফুয়েল কোম্পানির স্টোরেজ ট্যাংক লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে। ড্রোন আঘাত হানার পরপরই সেখানে দাউদাউ করে আগুন জ্বলে ওঠে।
জরুরি উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা শুরু করে। কর্তৃপক্ষ জানায়, এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো হতাহত না হলেও জ্বালানি অবকাঠামোর ব্যাপক বস্তুগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
এই হামলার জন্য সরাসরি ইরান এবং তাদের সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে দায়ী করেছেন আবদুল্লাহ আল রাজি। তিনি একে কুয়েত বিমানবন্দরের ওপর একটি ‘নির্লজ্জ হামলা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে কুয়েতের আকাশসীমা বন্ধ থাকলেও বিমানবন্দরটি বারবার হামলার লক্ষ্যবস্তু হচ্ছে।