Ads here
রিপোর্টার
প্রকাশ : Feb 1, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

অবশেষে সেই চীনা যুবককে আশ্রয় দিল যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : চীনের শিনজিয়াং অঞ্চলে উইঘুর ও অন্যান্য জাতিগত সংখ্যালঘুদের ওপর মানবাধিকার লঙ্ঘনের গোপন চিত্র ধারণ ও প্রকাশের জন্য নিজ দেশে নিপীড়নের আশঙ্কায় থাকা এক চীনা নাগরিককে রাজনৈতিক আশ্রয় দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। 

যুক্তরাষ্ট্রের একটি অভিবাসন আদালতের রায়ে উল্লেখ করা হয়—চীনে ফেরত পাঠানো হলে ওই ব্যক্তি বাস্তব ও যুক্তিসংগতভাবে নির্যাতনের ঝুঁকিতে পড়বেন। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) যুক্তরাজ্য-ভিত্তিক ইনডিপেনডেন্ট জানিয়েছে, আশ্রয়প্রাপ্ত ব্যক্তির নাম গুয়ান হেং। ৩৮ বছর বয়সী গুয়ান ২০২০ সালে শিনজিয়াংয়ে অবস্থিত কয়েকটি আটককেন্দ্র গোপনে ভিডিও ধারণ করেন, যা পরে ইউটিউবে প্রকাশিত হয়।

মানবাধিকারকর্মীদের মতে, গুলানের এসব ভিডিও শিনজিয়াংয়ে ব্যাপক মানবাধিকার লঙ্ঘনের আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ। সেখানে প্রায় ১০ লাখ উইঘুর ও অন্যান্য সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর মানুষকে আটক রাখা হয়েছে।

২০২১ সালের অক্টোবরে ঝুঁকিপূর্ণ নৌযাত্রায় যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের পর গুয়ান হেং আশ্রয়ের আবেদন করেন। তবে চলতি বছরের আগস্টে ট্রাম্প প্রশাসনের গণ-উচ্ছেদ অভিযানের অংশ হিসেবে তাকে আটক করা হয় এবং তখন থেকে তিনি হেফাজতে রয়েছেন। 

যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ (ডিএইচএস) প্রথমে তাকে উগান্ডায় পাঠানোর উদ্যোগ নিলেও, জনমত ও কংগ্রেস সদস্যদের উদ্বেগের মুখে গত ডিসেম্বরে সেই পরিকল্পনা বাতিল করা হয়। নিউইয়র্কের ন্যাপানোচে অনুষ্ঠিত শুনানিতে গুয়ান হেং আদালতকে জানান, আশ্রয়ের সুযোগ তৈরির উদ্দেশ্যে তিনি ভিডিও ধারণ বা প্রকাশ করেননি। 

ভিডিও লিংকে ব্রুম কাউন্টি কারাগার থেকে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘আমি নিপীড়িত উইঘুরদের প্রতি সহানুভূতি অনুভব করেছি।’ তিনি জানান, ভিডিও প্রকাশের জন্য চীন ছাড়ার বিকল্প ছিল না। তাই তিনি হংকং হয়ে ইকুয়েডর, বাহামা পাড়ি দিয়ে নৌকায় ফ্লোরিডায় পৌঁছান।

ভিডিও প্রকাশের পর চীনা পুলিশ তার বাবাকে অন্তত তিনবার জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। চীন সরকার শিনজিয়াংয়ে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছে, সেই কেন্দ্রগুলোতে কেবল ‘কারিগরি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি’ পরিচালিত হচ্ছে। গত বুধবার আদালতের শুনানিতে গুয়ান হেং আদালতকে জানান, যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয়ের সুযোগ পাওয়ার উদ্দেশে তিনি ভিডিও ধারণ বা প্রকাশ করেননি।

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, নেদারল্যান্ডসসহ একাধিক পশ্চিমা দেশ উইঘুর মুসলিমদের ওপর চীনের নিপীড়নকে মানবাধিকার লঙ্ঘন এমনকি গণহত্যার নামান্তর বলে সমালোচনা করে আসছে। তবে চীন বরাবরই এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

 

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

২৭ ডিসেম্বর ভোটার হবেন তারেক রহমান

1

রাতে চট্টগ্রামে যাচ্ছেন তারেক রহমান

2

কেন্দ্রে উত্তাপ, তৃণমূলে নির্বাচনি হাওয়া

3

বিশ্বকাপের আগমুহূর্তে নিপাহ আতঙ্কে কাঁপছে ভারত

4

মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা রক্ষায় ঐকমত্যে এরদোয়ান ও সৌদি যুবর

5

সৌদি যুবরাজকে খাসোগি হত্যা নিয়ে প্রশ্ন, সাংবাদিককে কটূক্তি ট

6

তরুণদের অংশীদার না করলে শিক্ষা সংস্কার সম্ভব নয়: সুজান ভাইজ

7

পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রে মুনাফা কত, কিনবেন যেভাবে

8

গাজার ধ্বংসস্তূপ থেকে আরও ৯৪ ফিলিস্তিনির মরদেহ উদ্ধার

9

ইমরান খানের পক্ষে আওয়াজ তুলেছেন পাকিস্তানের কিংবদন্তিরা

10

গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে ‘চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের মুখোমুখি’ ডেনমার্

11

তারেক রহমানকে শোকবার্তা পৌঁছে দিলেন নেপাল ও ভুটানের মন্ত্রীর

12

বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্নে মাঠে ফিরলেন নেইমার

13

১২ কোটির গাড়ি কিনে আম্বানি-শাহরুখের তালিকায় বাদশা, অতঃপর...

14

ট্রাম্পকে শান্তি পুরস্কার দেওয়া নিয়ে মুখ খুললেন ফিফা সভাপতি

15

মোদির বিরুদ্ধে বাঁশি নিয়ে নামলেন বিজয়

16

ক্লাব কিনে ফুটবলে ফিরছেন আলভেস

17

টিভিতে আজকের খেলা

18

কমনওয়েলথ প্রতিনিধি দলের সঙ্গে আলোচনা প্রসঙ্গে জানালেন খসরু

19

মুস্তাফিজ ইস্যুতে ভারতকে নিয়ে আসিফ মাহমুদের মন্তব্য

20