আন্তর্জাতিক ডেস্ক : দখলদার ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে ইরানে হামলা চালিয়ে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারির ওই আগ্রাসনের পর হাতের মুষ্ঠি ছেড়ে দিয়েছে তেহরানও। ঝাঁকে ঝাঁকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়ছে উগ্র ইহুদিবাদী ভূখণ্ড ও উপসাগরীয় দেশগুলোয় মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনা লক্ষ্য করে। তবে এই প্রথম প্রতিবেশী ওমানে হামলার অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ওমানে কোনো সামরিক হামলা চালানোর খবর অস্বীকার করেছে ইরান। তারা এই উপসাগরীয় দেশটিকে একটি ‘বন্ধু ও প্রতিবেশী’ হিসেবেও বর্ণনা করেছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রেস টিভির বরাতে জানা গেছে, দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফ জানিয়েছে ওমানের ভূখণ্ডে কোনো সামরিক হামলা চালানো হয়নি এবং এ সংক্রান্ত ভিন্নধর্মী খবরগুলো তারা প্রত্যাখ্যান করেছে।
ওমান নিউজ এজেন্সি মঙ্গলবার জানায়, দক্ষিণ ওমানের ধোফার গভর্নরেটে দুটি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে এবং তৃতীয় একটি ড্রোন সালালাহ বন্দরের কাছে বিধ্বস্ত হয়েছে। এই খবর প্রকাশের পরই ইরান থেকে এই অস্বীকৃতি এল।
একটি নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে ওমানি সংবাদ সংস্থাটি বলেছে, এ ঘটনায় কোনো হতাহত বা বস্তুগত ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। গত ২৮ মার্চ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের ওপর বড় ধরনের হামলা চালানোর পর থেকে পুরো অঞ্চলে উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করেছে। ওই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ সহস্রাধিক মানুষ নিহত হন।
এর জবাবে তেহরান ইসরাইলের পাশাপাশি সেইসব উপসাগরীয় দেশগুলোতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে প্রতিশোধ নিচ্ছে, যেখানে মার্কিন সামরিক সম্পদ বা ঘাঁটি আছে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি।
মন্তব্য করুন