স্পোর্টস ডেস্ক : স্বাধীনতার পর ঢাকা লিগে প্রথম পাকিস্তানি ফুটবলার খেলতে আসেন ১৯৭৭ সালে। সেবার কালা গফুর, আশিক আলি ও মোহাম্মদ হাবিব মোহামেডানে খেলেন। আবাহনীর বিপক্ষে কালা গফুর ও আশিক মাঠে নেমেছিলেন। সুপার লিগের আগে তিনজনই ফিরে যান।
৪৭ বছর পর সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত হয়েছে। বাংলাদেশ লিগের মধ্যবর্তী দলবদলে সার্ক কোটায় ঢাকায় আসছেন পাকিস্তানের ফুটবলাররা। লিগের প্রথম পর্বে নেপাল, ভুটান, শ্রীলংকাসহ সার্কের ১২ জন খেলোয়াড় বিভিন্ন ক্লাবে নাম লেখালেও পাকিস্তানের কেউ ছিলেন না।
দ্বিতীয় পর্বের জন্য নবাগত পিডব্লুডি দুজন পাকিস্তানি ফুটবলার নিশ্চিত করেছে। পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-২৩ দলে খেলা ২১ বছর বয়সি গোলকিপার উসমান আলী ও পাকিস্তান জাতীয় দলের জার্সিতে ২১টি ম্যাচ খেলা ২৯ বছর বয়সি মিডফিল্ডার আলী উজাইর মাহমুদকে নিয়েছে তারা।
লিগের প্রথম পর্ব চার নেপালি খেলোয়াড় নিয়ে শুরু করেছিল ব্রাদার্স। মধ্যবর্তী দলবদলের সময় নেপালিরা দেশে ফিরে গেলেও বাংলাদেশ ফুটবল লিগ পিছিয়ে যাওয়ায় তাদের দুজন অঞ্জন বিস্তা ও সুনীল শ্রেষ্ঠা আবার ব্রাদার্সে ফিরতে চান। তাই পাকিস্তানের ফুটবলার আনার সম্ভাবনা কম বলে জানিয়েছেন ক্লাবটির ম্যানেজার আমের খান।
পুলিশ এফসি এরই মধ্যে ভুটান জাতীয় দলের লেফট-ব্যাক শেরুপ দর্জিকে চূড়ান্ত করেছে। ভুটান জাতীয় দলের তারকা ও দেশটির সবশেষ লিগের সেরা খেলোয়াড় থিম্পু এফসি সিটির উইঙ্গার দাওয়া শেরিংকে নিজেদের তাঁবুতে ভিড়িয়েছে প্রথম পর্বে চমক দেখানো ফর্টিস এফসি।
রহমতগঞ্জ একজন বিদেশি খেলোয়াড় বদল করেছে। আরামবাগ তাদের নাইজেরিয়ার স্ট্রাইকার ইয়াহিয়াকে বদলে ঘানার একজন স্ট্রাইকারের নাম জমা দিয়েছে বাফুফেতে। এদিকে মধ্যবর্তী দলবদলের সময় ৩১ জানুয়ারি শেষ হবে। দ্বিতীয় পর্ব কবে শুরু হবে, তা নিশ্চিত নয়।
দ্বিতীয় পর্বের প্রথম রাউন্ডের সূচি দিলেও ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচনের কারণে পরে তা প্রত্যাহার করেছে বাফুফে। এরপর মোহামেডান, ব্রাদার্সসহ কয়েকটি ক্লাব অনুশীলন বন্ধ করে দিয়েছে।
মন্তব্য করুন