স্পোর্টস ডেস্ক : মাত্র ২০ রানের মধ্যেই টপঅর্ডারের তিন ব্যাটার—আন্দ্রে ফ্লেচার, টম বেন্টন ও সঞ্জয় কৃষানমূর্তি—আউট হয়ে গেলে বড় বিপদে পড়ে এমআই এমিরাটস। চাপের মুহূর্তে চতুর্থ উইকেটে ব্যাট হাতে নামেন সাকিব আল হাসান। অভিজ্ঞতার ছাপ রেখে ইনিংসের হাল ধরেন বাংলাদেশের অলরাউন্ডার। মোহাম্মদ
ওয়াসিমকে সঙ্গে নিয়ে গড়েন গুরুত্বপূর্ণ ৬০ রানের জুটি। সাকিব নিজে খেলেন ৩৬ রানের দায়িত্বশীল ইনিংস। তবে সাকিবের বিদায়ের পরই আবার ছন্দ হারায় এমিরাটসের ইনিংস। একের পর এক উইকেট হারিয়ে ১৮.৩ ওভারে ১৮২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে গুটিয়ে যায় কাইরন পোলার্ডের দল। শেষ পর্যন্ত ৪৬ রানের ব্যবধানে হার মানতে হয় আইএল টি টোয়েন্টির সাবেক চ্যাম্পিয়নদের।
দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত আইএল টি টোয়েন্টির ২০২৫–২৬ মৌসুমের ফাইনালে এমআই এমিরাটসের প্রতিপক্ষ ছিল ডেজার্ট ভাইপার্স। আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৮২ রান সংগ্রহ করে ভাইপার্স।
টুর্নামেন্টের কোয়ালিফায়ার ‘এ’ ম্যাচেও ভাইপার্সের কাছেই হেরেছিল এমিরাটস। তবে শুক্রবার এলিমিনেটর ম্যাচে আবুধাবি নাইট রাইডার্সকে হারিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নেয় সাকিবরা। শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে আবারও সেই পুরোনো প্রতিপক্ষের কাছেই হারতে হলো তাদের।
দলের ফল বিপরীতে গেলেও নকআউট পর্বে ব্যাট হাতে নিজের দায়িত্ব ঠিকই পালন করেছেন সাকিব আল হাসান। এলিমিনেটরে করেন ৩৮ রান, আর ফাইনালে যোগ করেন ৩৬ রান। ব্যক্তিগতভাবে সফল হলেও দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা জয়ের সুযোগ হাতছাড়া হলো এমআই এমিরাটসের।
মন্তব্য করুন