Ads here
রিপোর্টার
প্রকাশ : Feb 7, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

আক্রান্ত হলে আশপাশের সব মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার হুঁশিয়ারি ইরানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : পরোক্ষ আলোচনার বৈঠক শেষ করেই পুনরায় পাল্টাপাল্টি হুমকিতে লিপ্ত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। তেহরানকে আরো দুর্বল করতে দেশটির তেল রপ্তানিকে টার্গেট করেছে ওয়াশিংটন, এই জ্বালানি পরিবহনে যুক্ত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করে বাড়িয়ে দিয়েছে উত্তেজনা। 

 

আব্বাস আরাকচি সতর্ক করে বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র যদি কোনো আগ্রাসন চালায়, তবে আশপাশের আমেরিকান সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে। এসব ঘাঁটি আমাদের নাগালের মধ্যেই আছে।’তিনি বলেন, তেহরান প্রতিবেশী দেশগুলোর ভূখণ্ডে আক্রমণ করবে না; বরং যেখানে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোতেই আঘাত হানবে। ইরানি সশস্ত্র বাহিনী যেকোনো মুহূর্তে যেকোনো আক্রমণের দাঁতভাঙা জবাব দিতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত।

ইরানের এ শীর্ষ কূটনীতিক বলেন, ইসলামি প্রজাতন্ত্র শুরু থেকেই স্পষ্ট করে বলেছে যে, তাদের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে কোনো আলোচনার সুযোগ নেই, কারণ এটি সম্পূর্ণ আত্মরক্ষামূলক বিষয় এবং যেকোনো আলোচনার আওতার বাইরে। তিনি আরো বলেন, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করা ইরানের একটি অবিচ্ছেদ্য অধিকার এবং এ প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকা উচিত। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, এমনকি সামরিক হামলা চালিয়েও ইরানের এ সক্ষমতা নষ্ট করা সম্ভব হয়নি।ব্বাস আরাকচি স্পষ্টভাবে জিরো-পারসেন্ট ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের ধারণা প্রত্যাখ্যান করে বলেন, বিষয়টি আলোচনার পরিধির বাইরে।

বক্তব্যের অন্য এক অংশে তিনি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পরমাণু আলোচনার নতুন ধাপের কথা উল্লেখ করেন, যা একদিন আগে ওমানের রাজধানী মাসকটে শেষ হয়েছে। তিনি আলোচনাটিকে একটি ‘ভালো শুরু’ হিসেবে বর্ণনা করলেও সতর্ক করে দেন যে, আস্থা তৈরির জন্য সামনে একটি দীর্ঘ পথ বাকি আছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই আলোচনা ছিল পরোক্ষ এবং তা শুধু পরমাণু ইস্যুতেই সীমাবদ্ধ ছিল। তেহরান বারবার জোর দিয়ে বলেছে যে, দৃশ্যমান অর্থনৈতিক সুবিধা নেই এমন কোনো চুক্তির বাস্তব কোনো মূল্য নেই। ফলে আলোচনার সময়কাল এবং এর ফলাফল ইরানের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

পরমাণু কর্মসূচি ইস্যুতে ইরান নিজের মাটিতে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার আইনি অধিকারের ওপর অনড় আছে এবং বিষয়টিকে আলোচনার চূড়ান্ত সীমা হিসেবে অভিহিত করেছে। তেহরানের দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী, যেকোনো সম্ভাব্য প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা কেবল তখনই বিবেচনা করা হবে যখন এ অধিকার স্বীকৃতি দেওয়া হবে। এর বাইরে যেকোনো পূর্বশর্তকে অন্য পক্ষের অসততার লক্ষণ হিসেবে দেখা হবে। জুন মাসের মাঝামাঝি সময়ে ইরান এবং এর পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে মার্কিন-ইসরাইলি বিমান হামলার আগে ২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তির বিকল্প ব্যবস্থা নিয়ে ইরান পাঁচ দফা আলোচনা করেছিল।

 


মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ছেলের কোলে চেপে ভোট দিলেন শতবর্ষী শুনাভান

1

আজকের স্বর্ণের দাম: ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫

2

মেসির জন্য দেশ ছেড়েছিলেন রোকুজ্জো

3

৫৯ বছরে মা হলেন তিনি

4

দেশের বাজারে আজ কত দামে বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ ও রুপা

5

গানের মাধ্যমে তরুণদের হৃদয়ে নবীপ্রেম জাগাতে চান মুছলেহ

6

তিন দলের প্রধানের কাছে পৌঁছেছে প্রধান উপদেষ্টার শুভেচ্ছা বার

7

২৮ মার্চ: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত?

8

বিশ্বকাপে ভারতে বাংলাদেশের নিরাপত্তা শঙ্কা দেখছেন আমিনুল

9

প্রবাসীদের বড় দুঃসংবাদ দিল সৌদি আরব

10

নির্বাচন সফল করার বিষয়ে ইসিকে আশ্বস্ত করলেন আইজিপি

11

মার্কিন সতর্কতার পর ফ্লাইট বাতিল, কঠোর সিদ্ধান্ত ভেনেজুয়েলার

12

আক্রমণভাগের শক্তি বাড়াতে ঘানার উইঙ্গারকে দলে নিলো সিটি

13

শনিবার প্রেস ব্রিফিং করবেন অধ্যাপক আলী রীয়াজ

14

মধ্যপ্রাচ্যে ৫০টির বেশি যুদ্ধবিমান মোতায়েন করল যুক্তরাষ্ট্র

15

কাকাবাবু মানেই রহস্য আর অ্যাডভেঞ্চার

16

সেই ভয়াল রাতে পাকিস্তানি মিলিটারি দেখেছিলেন জয়া আহসানের মা

17

পরিবেশ অত্যন্ত চমৎকার, উৎসবমুখর পরিবেশে প্রচারণা চলছে : ইসি

18

১৯ বছর পর বগুড়া সফরে যাচ্ছেন তারেক রহমান

19

নির্বাচন ও গণভোট একসঙ্গে করায় খরচ বাড়বে: অর্থ উপদেষ্টা

20