Ads here
রিপোর্টার
প্রকাশ : Nov 8, 2025 ইং
অনলাইন সংস্করণ

আমদানির সুপারিশে কি পেঁয়াজের দাম কমবে

ডেস্ক নিউজ : পেঁয়াজ আমদানির সুপারিশ করেছে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন (বিটিটিসি)। ট্যারিফ কমিশন বলছে, এক কেজি পেঁয়াজের দাম সর্বোচ্চ ১১০ টাকা ওঠায় দ্রুত আমদানির অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। প্রতিবছর অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর মাসে পেঁয়াজের দাম বাড়ে।

ট্যারিফ কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পেঁয়াজের উচ্চ দামের সুবিধা কৃষক পাচ্ছেন না। মধ্যস্বত্বভোগীরা এ সুযোগ নিচ্ছেন। তাই পেঁয়াজ আমদানির সুযোগ দিলে বাজারে মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাব কমে যাবে। ভোক্তারা যৌক্তিক মূল্যে পেঁয়াজ কিনতে পারবেন।

ট্যারিফ কমিশনের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশের পেঁয়াজ আমদানি প্রধান উৎস দেশ ভারত। ভারত থেকে পেঁয়াজের মোট আমদানির ৯৯ শতাংশই করা হয়। এ ছাড়া তুরস্ক, পাকিস্তান, মিয়ানমার, চীন ও মিসর থেকেও পেঁয়াজ আমদানি হয়। গত অর্থবছরে মোট ৪ লাখ ৮৩ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানি হয়। বর্তমানে পেঁয়াজের ওপর মোট ১০ শতাংশ শুল্ককর প্রযোজ্য।

শুক্রবার রাজধানীর বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ১১০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। বাজারসংশ্লিষ্টের মতে, প্রতিবছর এই সময় মুনাফালোভী অসাধু ব্যবসায়ীরা পেঁয়াজের দাম বাড়াতে মরিয়া হয়ে ওঠে। এবারও তারা দাম বাড়াচ্ছে। গত মৌসুমে কৃষকরা ন্যায্য দাম না পেয়ে সব পেঁয়াজ বিক্রি করে ফেলেছেন। ফলে এখন তাদের কাছে পেঁয়াজ নেই। তা অসাধু মজুতদারদের দখলে। এই সুযোগে মজুতদাররা সিন্ডিকেট করে পেঁয়াজ আটকে রেখে দাম বাড়াচ্ছে। একই সঙ্গে দাম বাড়ার অজুহাত তুলে ভারত থেকে আমদানির জন্য সরকারকে চাপ দিচ্ছে।

কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এসএম নাজের হোসাইন যুগান্তরকে বলেন, পেঁয়াজের দাম বাড়ার পেছনে আড়তদার, কমিশন এজেন্ট ও দাদন ব্যবসায়ীদের কারসাজি আছে। তারা পেঁয়াজ কিনে মজুত করছে, বাজারে ছাড়ে না। দেশে ভালো উৎপাদন হলেও কৃত্রিম সংকট তৈরি করে আমদানির পাঁয়তারা করছেন। মৌসুমে পেঁয়াজ আমদানি হলে কৃষক ঠকবেন। আর এখন বাজারে নজরদারি না বাড়ালে ভোক্তার পকেট কাটা যাবে।

কৃষি মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, দেশে বছরে ৩৫ লাখ টন পেঁয়াজের চাহিদা থাকলেও গত মৌসুমে উৎপাদন হয়েছে প্রায় ৩৮ লাখ টন। এবার সংরক্ষণ ভালো হয়েছে। এমন অবস্থায় নতুন করে আমদানির প্রয়োজন নেই। এখন দেশে পেঁয়াজের ঘাটতি নেই। বরং পর্যাপ্ত মজুত আছে। চাহিদার চেয়ে সরবরাহ বেশি। তবু কিছু ব্যবসায়ী আইপি (ইমপোর্ট পারমিট) পাওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। তারা ইতোমধ্যে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ উইংয়ে আইপি নিতে ২ হাজার ৮০০ আবেদন দিয়েছে। অথচ এক মাস পরই উঠবে দেশীয় পেঁয়াজ। যা বাজারে আরও সরবরাহ বাড়াবে।

 

 


মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বাংলাদেশের রাজনীতিতে শেখ হাসিনার ভবিষ্যতে আরও একটি ধাক্কা?

1

বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন

2

৫০ ছুঁই ছুঁই তবু কেন অবিবাহিত, যা বললেন শমিতা শেঠি

3

দেশে ভূমিকম্প অনুভূত

4

ইসরাইলের সাথে আপাতত সরাসরি আলোচনা নয়: আল শারা

5

ঢাকায় ভূমিকম্পে বড় ধাক্কার ভয়, কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা

6

৫০ বছরের মধ্যে সেরা হজ হয়েছে এ বছর, ঘোষণা সৌদির

7

বিদেশিদের ভয়-হয়রানি বন্ধে হাইকোর্টের যুগান্তকারী রায়

8

অন্তর্বর্তী সরকারের আবারও ক্ষমতায় থাকার সুযোগ নেই: মান্না

9

৬ জানুয়ারি নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন

10

ঢাকায় প্রথমবারের মতো ময়লা কুড়ানোর প্রতিযোগিতা

11

সংবিধান সংস্কার পরিষদ: শপথবাক্যে কী আছে?

12

প্রিয়জনদের নিয়ে ইফতার করলেন মিম

13

জন্মদিনে যে ৫ প্রতিশ্রুতির কথা জানালেন তারেক রহমান

14

চলতি মাসে হোয়াইট হাউসে ট্রাম্প-সৌদি যুবরাজ বৈঠক

15

গুম-খুনের শিকার পরিবারগুলোর পাশে থাকবে বিএনপি : রিজভী

16

প্রবাসীরা বিদেশি বিনিয়োগ আনলে মিলবে নগদ প্রণোদনা

17

প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রবেশপত্র মিলবে আজ,

18

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা দাঁড়াল ৭০ হাজার

19

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শেখ হাসিনার গভীর শোক প্রকাশ

20